
অক্টোবর মাসটি সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতার মাস। সাইবারসিকিউরিটির প্রয়োজনীতা এই ডিজিটাল ইকোনমির যুগে বলে শেষ করা যাবে না। তাই খুব ছোট ভাবে একটি সাইবারসিকিউরিটি স্টার্টআপ করার আইডিয়া দিচ্ছি। প্রথমত, একটি স্টার্টআপ কোম্পানি সেট করার স্বাভাবিক পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন, একটি স্টার্টআপ সর্বোচ্চ ৫ বছর সময়কাল ধরে বেঁচে থাকতে পারে। গুগল, ফেইসবুক সবই শুরুতে “স্টার্টআপ” কোম্পানি ছিল।
আপনার সাইবারসিকিউরিটি কোম্পানি যে সমস্ত সার্ভিসগুলো প্রদান করতে পারে: (প্রথমে একটি বা দুইটি সার্ভিস দিয়ে শুরু করুন)
১. সাইবারসিকিউরিটি কনসাল্টেন্সি
২. থ্রেট (হুমকি) সনাক্তকরণ ও ব্যবস্থাপনা
৩. সাইবার ইন্টেলিজেন্স এবং থ্রেট হান্টিং
৪. সিকিউরিটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট/অপ্টিমাইজেশান
৫. আইওটি পেনটেস্টিং
৬. সাইবারসিকিউরিটি অপারেশন্স কল সেন্টার
৭. ডেটা প্রটেকশন সার্ভিস
৯. ডেটা গভর্নেন্স সার্ভিস
১০. ইথিক্যাল হ্যাকিং সার্ভিস
১১. পেনেট্রেশন টেস্টিং (অনুপ্রবেশ পরীক্ষা)
১২. এক্সেস কন্ট্রোল সার্ভিস